www.AsadAbdullah.info

April 20, 2015

Extra money…… what to do?

Filed under: Financial consultant — Tags: , , — asad @ 5:14 pm

Most common mistake by 99% people after getting a pay rise is … start spending more. The successful investors always try to continue the same life style even after a significant pay rise. What do they do with the additional money? They Invest!

They keep investing ….as you sow so you reap…. after few years they start getting the profit. Their money compounds over time. Some people say that compounding is the the best invention of the modern civilization.

So, you spend the profit of your investment or reinvest it to a certain point. You can buy a luxurious car or house from the profit. But before the car or house, you should invest enough for your future safety.

 

 

 

 

September 14, 2013

সুখ কাকে কয় সখী?

Filed under: জীবনের গল্প — asad @ 4:15 pm

তোমার যদি ফ্রিজে খাবার থাকে, গায়ে কাপড় থাকে, মাথার ওপর ছাদ থাকে, রাত্তিরে ঘুমোবার জন্য জায়গা থাকে — বুঝবে, গোটা পৃথিবীর ৭৫% লোকের চেয়ে তুমি ধনী।

তোমার পকেটে যদি কিছু টাকা থাকে, কিছু ভাংতি থাকে আর তুমি তোমার মনমত যেখানে খুশি যেতে পার — বুঝবে তুমি গোটা পৃথিবীর ১৮% বিত্তশালীদের একজন।

তুমি যদি সুস্থ-সবল-নিরোগ শরীর নিয়ে আজকের দিনটা বাঁচতে পার — তাহলে বুঝবে তুমি পৃথিবীর সেই ১০ লক্ষ লোকের চাইতে সুখী
যারা আগামীকাল বা আগামী সপ্তাহের মধ্যেই মারা যাবে।

তুমি যদি আমার এই বার্তাটা পড়তে পার এবং এর অর্থও বুঝতে পার — তারমানে তুমি সেই ৩০ লক্ষ মানুষের চেয়ে ভাগ্যবান যারা চোখে দেখতে পায় না বা মানসিক সমস্যায় ভোগে।
জীবনটা পাওয়া না পাওয়ার হিসেব মিলাবার স্থান নয়, অহেতুক অভিযোগের সময়কাল নয়। হাজারটা কারণে তোমার উচিত তোমার সৃষ্টিকর্তার ওপর কৃতজ্ঞ হওয়া।

আসুন, আজ যে আমরা মানবজীবন লাভ করেছি, স্বাভাবিক জীবনযাপন করছি, এজন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি।

what is key to happiness?

এই সার্ভে ভুলে যান । বিলিভ মি, সুখের একমাত্র মন্ত্র হচ্ছে   good health. বাকি সবকিছু গৌন। আপনার সাস্থ্য যখন ভাল থাকবে, তখন দুনিয়ার সবকিছুই আপনার কাছে ভাল লাগবে। এই কথাটাকে অন্যভাবেও বলা যায়। আপনার জীবনের সবচে বড় সাফল্য কি হতে পারে? টাকা পয়সা ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স? গাড়ি বাড়ি ব্যাবসাপাত্তি? খ্যাতি জস প্রতিপত্তি? জনপ্রিয়তা?  না, এসবের কোনটাই আপনার জীবনের সেরা সাফল্য হতে পারে না। আপনার জীবনের সেরা সাফল্য  আপনার সুসাস্থ্য।

August 20, 2013

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি সময়ের উপরে ৫ টি বই

Filed under: 1971,Daily Diary — asad @ 4:09 pm

rich people has big library and poor people has big TV.

কথা না বাড়িয়ে ডাউনলোড করে নিন মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি সময়ের উপরে ৫ টি বই। প্রতিটি বই ই কালের সাক্ষি।

http://www.mediafire.com/download/q9w43tnwdvtlw1q/5+books+on+1975-81+bloodshed.pdf

August 19, 2013

গোলাম আযম নামা

Filed under: 1971 — Tags: , , , — asad @ 3:21 pm

Professor anisuzzaman in the tribunal:

মাননীয় আদালত,
আমি গোলাম আযমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করছি। ইনি সেই গোলাম আযম-যাঁকে ফেরার ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিজ এলাকার মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হতে নির্দেশ দেন; ১৯৭৩ সালের ১৮ই এপ্রিল এক প্রজ্ঞাপনবলে বাংলাদেশ সরকার যাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করে দেন; যিনি পাকিস্তানি পাসপোর্ট ও তিন মাসের ভিসা নিয়ে ১৯৭৮ সালের ১১ই জুলাই বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যিনি বেআইনিভাবে এ দেশে রয়ে যান; ১৯৭৬, ১৯৭৭, ১৯৭৮, ১৯৭৯ ও ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করেও যিনি নাগরিকত্ব ফেরত পাননি; বাংলাদেশ সরকার যাঁকে ১৯৮৮ সালের ২০শে এপ্রিলের মধ্যে দেশত্যাগের নির্দেশ দিলেও যিনি বাংলাদেশে থেকে যান; যাঁর নাগরিকত্ব ফেরত দেওয়ার ইচ্ছা বাংলাদেশ সরকারের নেই বলে ১৯৮৮ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিকবার জাতীয় সংসদে ঘোষণা করেছেন; সেই গোলাম আযমের উপযুক্ত শাস্তি বিধানের জন্য এই গণ-আদালতের কাছে আমি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করলাম।
২.
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ট্রাইবুনালে ৬২টি অভিযোগ দাখিল করা হয়। সেই অভিযোগ এবার দেখা যাক।

একাত্তরের ২১ নভেম্বর দিবাগত রাত। সিরু মিয়া দারোগা, তাঁর ১৪ বছর বয়সী ছেলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নজরুল ইসলামসহ ৩৮ জনকে পাকিস্তানী সেনারা ব্রাম্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে শহরের পৈরতলা রেলব্রিজের কাছে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল গোলাম আযমের নির্দেশে।

অভিযোগ অনুযায়ী, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের আমির গোলাম আযমের প্রচেষ্টায় শান্তি কমিটি, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস, পাইওনিয়ার ফোর্স প্রভৃতি সহযোগী বাহিনী গঠিত হয়। তাঁর নেতৃত্বে ও নির্দেশে এসব বাহিনী সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ করে এবং এসব অপরাধ করতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করে। অভিযোগে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ৩(২) ধারায় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা এবং এ ধরনের অপরাধে নেতৃত্ব, সহায়তা, প্ররোচনা ও উসকানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সিরু মিয়া দারোগাসহ ৩৮ জনের হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ অনুসারে, কুমিল্লার হোমনা থানার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের সিরু মিয়া একাত্তরে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় দারোগা (সাব-ইনস্পেক্টর) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ২৮ মার্চ তিনি স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও ১৪ বছরের ছেলে আনোয়ার কামালকে নিয়ে কুমিল্লার নিজ বাড়িতে যান। সেখানে সিরু মিয়া শরণার্থীদের ভারতে যাতায়াতে সাহায্য করতেন। ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে কসবা থানার তন্তর চেকপোস্টের কাছে সিরু মিয়া ও তাঁর ছেলেসহ ছয়জন ভারতে যাওয়ার সময় রাজাকারদের হাতে ধরা পড়েন। তাঁদের রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে কয়েকদিন নির্যাতনের পর ব্রাম্মণবাড়িয়া কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। স্বামী-সন্তানের ধরা পড়ার খবর পেয়ে আনোয়ারা বেগম তাঁর ভগ্নিপতি খিলগাঁও সরকারি স্কুলের শিক্ষক মোহাম্মদ মুহসিন আলী খানের মাধ্যমে গোলাম আযমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মুহসিন আলী ছিলেন গোলাম আযমের দুই ছেলে আজমী ও আমীনের শিক্ষক। তিনি গোলাম আযমের কাছে সিরু মিয়া ও তাঁর ছেলেকে মুক্তি দিতে অনুরোধ জানান। গোলাম আযম ব্রাম্মণবাড়িয়া শান্তি কমিটির নেতা পেয়ারা মিয়ার কাছে একটি চিঠি পাঠান যাতে সিরু মিয়া ও তাঁর ছেলেকে হত্যার নির্দেশ ছিল। চিঠি পাওয়ার পর ঈদের দিন রাতে সিরু মিয়াসহ ৩৯ জনকে পাকিস্তানি সেনারা রাজাকার ও আল-বদরদের সহযোগিতায় কারাগার থেকে বের করে নিয়ে যান। পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে ওইদিন ৩৮ জন মারা গেলেও একজন প্রাণে বেঁচে যান। ওই ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে আনা হবে।
(

(Copied from showkat mostafa masum’sblog)

August 18, 2013

গোলাম আযম নামা

Filed under: Daily Diary,Express in Bangla — Tags: , — asad @ 7:11 pm

গোলাম আযমের আত্মজীবনীর প্রথম খণ্ডে ক্রিকেট খেলা প্রসঙ্গে তার মন্তব্যেও তার পাকিস্তান প্রীতি স্পষ্ট হয়েছে। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তান দলকে পরাজিত করায় শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ৭১-এর মতো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে খেলার ফলেই বিজয় সম্ভব হয়েছে। এই মন্তব্যের সমালোচনা করে গোলাম আযম লিখেন, ‘খেলা খেলাই। এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধকে টেনে এনে তিনি (শেখ হাসিনা) অযথাই হাস্যষ্পদ হলেন’। অথচ পরের অনুচ্ছেদেই গোলাম আযম লিখেন, ‘পাকিস্তান মাঝে মাঝে সাধারণ দলের নিকট পরাজিত হলেও ভারতের নিকট খুব কমই পরাজিত হয়েছে। জানি না পাকিস্তানী দল ৪৭ এর চেতনা নিয়েই ভারতের বিরুদ্ধে খেলে কিনা (পৃ-১২৬)।’

গোলাম আযম এ প্রসঙ্গে আরো বলেছেন, ঢাকা স্টেডিয়ামে যতবার ভারত ও পাকিস্তান দলের খেলা হয়েছে প্রতিবারই ‘বাংলাদেশী দর্শকের শতকরা প্রায় ৯৯ জনই পাকিস্তান দলের প্রতিই আবেগপূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যানার প্রদর্শন করলেও তা দর্শকদের মনে সামান্য প্রভাবও বিস্তার করতে পারেনি। দর্শকরা ঐ ব্যানার দেখে মন্তব্য করেছে ”রাখ মিয়া মুক্তিযুদ্ধের কথা, এখানে মুসলমানদের বিজয় চাই”।

একই খণ্ডে জামায়াতের সাবেক আমির আরো লিখেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষবাদী ও ভারতপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীদের মন্তব্যের কথা শুনেছি। তারা নাকি বলেন, আমরা বছরের পর বছর চেষ্টা করে যুবসমাজের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঞ্চারের জন্য যে আপ্রাণ চেষ্টা করি তা স্টেডিয়ামে পাক-ভারত খেলায়ই নস্যাত হয়ে যায় (পৃ-১২৭)।’

স্বাধীনতাবিরোধীদের রাষ্ট্রমতার অংশীদার করায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন গোলাম আযম। আত্মজীবনীর দ্বিতীয় খণ্ডের ১৭৭ পৃষ্ঠায় তিনি লিখেন, রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কারণেই তিনি ‘স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষের বিভাজন বর্জন করে সকলকেই তার সংগঠনে সমবেত করেন। ৭১-এ তার বিপরীত ভূমিকা পালন করা সত্ত্বেও শাহ আজিজুর রহমানের ওপর প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতার দায়িত্ব অর্পণ করেন।’

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারেরও ঘোর বিরোধী গোলাম আযম। তার মতে, ‘মুজিব হত্যার বিচার জনগণের উপর মহা অবিচার।’ দ্বিতীয় খণ্ডের তিনি লিখেন, ‘কয়েকজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা সফল সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশকে উদ্ধার করেন।…এটা যদি সাধারণ হত্যা হয়ে থাকে তাহলে গোটা দেশবাসীকেই আসামি করা প্রয়োজন ছিলো। কারণ এ হত্যায় তারা আনন্দ ও উল্লাস করেছে।’(পৃ-১৭৪)।
কৃতজ্ঞতা ওয়াসেক বিল্লাহ (copied from showkat mostofa masum’s blog)

Older Posts »

Powered by WordPress