Is it the real world that you see now? How we view the world is an individual experience varies person to person

A family of 4 are walking on the road beside a sea beach.

The father is looking at the young girl in bikini with a perfect figure. In his mind “oh what a beauty! Alas! My wife was like her 10 years ago”

The wife was also looking at that girl but she is also looking at the boy with that girl. The boy use to be her boyfriend.  She is thinking “oh girl enjoy your life to your fullest, when you give birth, you will lose that perfect figure”

The 10-year-old son is looking at all the surfers over the big wave.

The 5-year-old daughter is looking at the ice cream parlor, she loooooves strawberry flavor.

They are all walking through the same place, same time…..

But….in their head…..its individual world…..the world according to their thought, desire, need, want, frustration, anticipation.

We don’t see the same thing, we only see what we are trained to see.

That’s why what a police officer can see looking at a criminal’s eye, we can’t see

What an accountant can see in a tax summery, we can’t see

Where a businessman can see the opportunity, we can see problem

Happy reading.

Attitude = 100

we all know this.

If ABCDEFGHIJKLMNOPQRSTUVWXYZ Is equal to 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26

Hard Work = 8+1+18+4+23+15+18+11= 98%

Knowledge= 11+14+15+23+12+5+4+7+5= 96%

Love = 12+15+22+5= 54% Luck L+U+C+K 12+21+3+11= 47%

Money = 13+15+14+5+25= 72%

Leadership = 12+5+1+4+5+18+19+8+9+16= 89%

Finally,

Attitude = 1+20+20+9+20+21+4+5= 100%

everything changes when we change our attitude.

when we change our attitude towards food, we become healthy or fatty. it depends which attitude we take on. our attitude towards our job will make us a leader or just survivor. Our attitude towards life will make us joyful or depressing.

it all come down to attitude. Even how we drink our coffee or how much sugar we put in our tea is decided by our attitude towards our belief in our health.

Atomic Habits by James Clear : one key take away that can change our life….

ask yourself 1 set of questions – what are my core values? What am I doing now? Is that aligned to my core values?

Just finished reading the New York Times best seller “atomic habits” by James Clear. A book worth reading for everyone whether you are a billionaire or an average joe.

Every line worth underlined or highlighted. Normally I highlight all the important lines that I think I will come back later to reread. But for this book, after first chapter, I stopped doing that. Don’t want to highlight every line.

There are a lot of key take aways from this book. But if you do not have time to read the whole book, I can mention just one key point: ask yourself from now on – what are my core values? What am I doing now? Is that aligned to my core values?

Keep asking this question as many times as you can throughout the day. You will see slowly you pick this habit to be aware about your present time and you will only do those things that are important to your goals.

Happy reading.

আমাদের শিক্ষাব্যাবস্থা – কি হতে যাচ্ছে ভবিষ্যতে?

সারা পৃথিবীর শিক্ষাব্যাবস্থার চিত্রটাই মোটামুটি একই রকম

কেন আমাদের বেশির ভাগ শিক্ষকরা এত saddist ছিলেন?  তারা সামান্য পড়া না পারার জন্য পুরা ক্লাসের সামনে এমন ভাবে অপমান করতেন যেন আমরা খারাপ ছাত্রই শুধু না, আমরা মাত্রই মানুষ খুন করেছি।  জ্যামিতি ক্লাসে জ্যামিতি বক্স নিয়ে না আসার অপরাধে প্রথমে বেতের বাড়ি, তারপর যতক্ষণ ক্লাস শেষ না হয় ততক্ষণ কান ধরে বেঞ্চের উপর দাড়িয়ে থাকার মত ক্রিয়েটিভ শাস্তির আইডিয়া আমাদের শিক্ষকরা কোথা থেকে পেয়েছেন আমার জানা নেই। 

আচ্ছা কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা কেমন ধরনের মানুষ প্রডিউস করছে? যাদেরকে আমরা শিক্ষিত বলে জানি তাদের ভেতরটা আসলে কেমন? তারা কেমন ধরনের নলেজ নিয়ে বের হচ্ছে?

আমার স্কুল জীবনে আমি ৯৯% শিক্ষককে খুবই ভয় পেয়েছি, আমাদের সম্পর্ক ছিল ভয়ের, ভালবাসার না। কোন টিচার আমার মাথায় হাত রেখে কখনো আমাকে আশির্বাদ দেয় নাই, কিন্তু সামান্য ভুলে বেতের বাড়ি খেয়েছি বহুবার। এমনও হয়েছে, ক্লাসের পিছনে বসে কথা বলার অপরাধে মারতে মারতে  ক্লাসের সামনে থেকে পেছনে, আবার পেছন থেকে সামনে নিয়ে এসেছে, কানে ধরে পুরা স্কুলের সামনে বারান্দায় দাড় করিয়ে রেখেছে, চুলের মুঠি ধরে এত জোরে টান মেরেছে যে অনেকদিন সেই  পাশে কাত হয়ে ঘুমাতে পারতাম না।

আজকে এসএসসি পাশের প্রায় ২১ বছর পর সেই দিনগুলোর কথা যখন চিন্তা করি, তখন মনে হয় কেন আমাদের বেশির ভাগ শিক্ষকরা এত saddist ছিলেন?  তারা সামান্য পড়া না পারার জন্য পুরা ক্লাসের সামনে এমন ভাবে অপমান করতেন যেন আমরা খারাপ ছাত্রই শুধু না, আমরা মাত্রই মানুষ খুন করেছি।  জ্যামিতি ক্লাসে জ্যামিতি বক্স নিয়ে না আসার অপরাধে প্রথমে বেতের বাড়ি, তারপর যতক্ষণ ক্লাস শেষ না হয় ততক্ষণ কান ধরে বেঞ্চের উপর দাড়িয়ে থাকার মত ক্রিয়েটিভ শাস্তির আইডিয়া আমাদের শিক্ষকরা কোথা থেকে পেয়েছেন আমার জানা নেই। 

কিন্তু চিন্তা করে দেখেন, এই যে শিক্ষকরা ছাত্রদের সাথে এমন ব্যবহার করেন, কিসের জন্য? তারা আমার শিক্ষক কারণ তারা আমার চেয়ে হয়ত ১৫/২০/২৫ বছর আগে লেখা পড়া করেছেকন, শিক্ষকথা করছেন মানুষ গড়ার কারিগর হিসাবে।  আমি যদি তাদের মত ২০/২৫ বছর আগে জন্মাতাম, তাহলে ত তারা আমার শিক্ষক হতেন না।  সোজা কোথা, তারা আমার আগে জন্মেছেন বলেই আমার শিক্ষক হয়েছেন।  এতাইতো সবচে বড় যোগ্যতা তাইনা? তারা আমার আগে জন্মেছেন। তেমনি আজকে যারা শিক্ষক, ছোট ছোট বাচ্চাদের পড়াচ্ছেন, তারা এই বাচ্চাদের আগে জন্মেছেন বলেই এদের শিক্ষক হয়েছেন, বাচ্চাদের চেয়ে পরে জন্মালে তো আর এই বাচ্চাদের শিক্ষক হতেন না।

যা বলছিলাম আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা সম্পর্কে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এমন ভাবে সাজানো হয়েছে (আমি শুধু বাংলাদেশের কোথা বলছি না, প্রায় পুরা বিশ্বের শিক্ষা ব্যাবস্থাই অনেকটা এমন) এখানে মেমরি বা মনে রাখার প্রয়োজনীয়তা সবচে বেশি। যে যত বেশি মনে রাখতে পারবে, তার ভ্যালু তত বেশি। এখানে নতুন  নলেজ সৃষ্টি করার চেয়ে পুরাণ যা আছে তাই মুখস্ত করে চলার নিতিতে বেশি জোর দেওয়া হয়। পুরা শিক্ষা ব্যাবস্থাই এমন ভাবে করা হয়েছে যে আপনি এখান থেকে ঠিক মত বের হতে পারলে ভাল একজন employee হবেন এই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই, এমনকি আমাদের সমাজ ব্যাবস্থাও আপনাকে বাহবা দিনে ভাল employee  হুয়ার জন্য।  ব্যাঙ্ক আপনাকে লোন দিবে যদি আপনার রেগুলার জব থাকে, আর যদি আপনি ব্যাবসা করেন, যেখানে লাভ লস সব আছে তখন ব্যাঙ্ক আপনাকে লোণ দিতে অনেক হিসাব নিকাষ করবে। 

রকফেলার ছিলেন আধুনিক আমেরিকার শিক্ষা ব্যাবস্থা ঢেলে সাজানোর মুল কারিগর। রকফেলার তৎকালীন আমেরিকার শিক্ষা মন্ত্রীকে আদেশ দিয়েছিলেন যে এমন একটা শিক্ষা ব্যাবস্থা বানানো হয় যেখানে তার কল কারখানা চালানোর জন্য কখনো ইঞ্জিনিয়ারের কমতি না হয়। অর্থাৎ ভাল employe  গড়ে তোলাই ছিল রকফেলারের মেইন উদ্দেশ্য।

সামনে কি অপেক্ষা করছে এই শিক্ষা ব্যাবস্থা থেকে যারা বের হয়েছে তাদের জন্য?

একটা সময় ছিল যখন কলকারখানায় মানুষ কাজ করত। গাড়ি তৈরি হত সম্পুর্ন মানুষের হাত দিয়ে। আস্তে আস্তে গত ৫০/৬০ বছরে কলকারখানায় মানুষের জায়গাগুলা মেশিন নিতে আরম্ভ করল। মানুষ চাকরি হারাতে শুরু করল। প্রথম প্রথম খুব আন্দোলন হত, কিন্তু পড়ে দেখা গেল যে এটাই নরমাল নিয়মে পরিণত হয়েছে।  প্রথম যখন চট্টগ্রাম বন্দরে ক্রেইন বসানো হল, তখন শ্রমিকরা অনেক আন্দোলন করল কারণ তারা জব হারাবে। কিন্তু লাভ হয় নাই, বন্দরের কর্মকাণ্ড অনেক বেশি গতিশীল হল ক্রেইন বসানর পড়। যে জাহাজ খালি করতে আগে শ্রমিকদের ২ দিন লাগত, সে জাহাজ খালি করতে ক্রেইনের লাগল দুই ঘণ্টা, ফলে বন্দরে অনেক বেশি জাহাজ ভিড়তে লাগল, সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ল।

এখন জারা জব করছে তাদের জন্য হুমকি হয়ে এসেছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স। জারাই এখন মেমোরি বেইজড কাজ করছে, মোটামুটি সবাই জব হারাবে। কিন্তু জারা সত্যিকারের ক্রিয়েটিভ কাজ করছে, যেমন আর্টিস্ট, তাদের কাজ রোবট এত সহজে করতে পারবে না এখনো, কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে অনেক জব  চলে যাবে রোবটদের দখলে, শিক্ষকদের দরকার হবে না ক্লাস করানোর, কারণ রোবটের মেমোরি অনেক বেশি দক্ষ শিক্ষকদের মেমোরির থেকে। রোবট ক্লাসে এসে অঙ্ক বিজ্ঞান সব গর গর করে পড়াবে বাচ্চাদের। তাই কি এখন শিক্ষকরা আন্দোলন শুরু করবে?  ইতিমদ্যেই সালমান খান একাডেমী দেখিয়ে দিয়ছে শুধুমাত্র ইউটিউবকে ব্যবহার করে কি ভাবে একজায়গা থেকে সারা পৃথিবীর বাচ্চাদের পড়ালেখা শেখানো যায়, কোন ক্লাস রুমের দরকার নাই, দরকার শুধুমাত্র একটা কম্পিউটার, সাথে ইন্টারনেট এবং নিজের সদিচ্ছা।

আসলে টেকনোলজি একটা চমৎকার জিনিস যদি আমরা তাকে ঠিকমত ব্যবহার করতে পারি। মানুষ যেদিন থেকে আগুণ আবিষ্কার করেছে, সেদিন থেকে সভ্যতা তরতর করে সামনের দিকে এগিয়ে গিয়েছে। আবার এই আগুণ লেগে অস্ট্রেলিয়া আর আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াতে প্রতিবছর বুশ ফায়ারে কত শত প্রাণী এবং মানুষ মারা যাচ্ছে, তাতে আগুণের দোষ কতটা আবার মানুষের কর্মের ফলে প্রকৃতির পরিবর্তনের প্রভাব কতটা ?  একটা ছুরি দিয়ে আমরা একটা আম কেটে খেয়ে আমাদের জীবন বাঁচাতে পারি আবার সে একই ছুরি দিয়ে মানুষ খুন করতে পারি। এখানে ছুরির কোন দোষ নাই, দোষ যে ব্যাবহার করছে  তার, ঠিক সেই ভাবে টেকনোলজির কোন দোষ থাকতে পারে না, দোষ যদি কাওকে দিতেই হয় তবে তা হবে মানুষের, আরও ভাল ভাবে বললে তথাকথিত শিক্ষিত মানুষের।  

শেষ করার আগে একটা প্রশ্ন। আচ্ছা এখন পর্যন্ত এই পৃথিবীর যত ক্ষতি করা হয়েছে (global warming, 1st and second world war, any sort of war/atomic war/religious/ethnic war etc) , তা কারা করেছে? শিক্ষিত মানুষ নাকি অশিক্ষিতের জাত?

ছবি :https://www.youtube.com/watch?v=LTAvi4ZAHxU

pictures with deep meaning

 

fake friend
the biggest curs in your life are fake friends. 

Spirit of learning: feel the gratitude about your learning opportunity. many don’t have

 

sometimes stay back to save others.

most of the people in your life will just act as if they are helping you

that is what most of the people doing nowadays….consume consume consume

know thyself before judging others. Judging others is the only this we are doing tirelessly

if your parents are alive, feel the gratitude. Let them know that you love them.

life is like an icecream. enjoy it before it melts. Nobody can’t ignore the reality of life. Be prepared for it

the beginning and the ending of life are the same

We are all same inside. even true for LGBT and straight community

Don’t ignore depression, take care of the depressed people around you.

all the pictures were taken from the web.

Elixir of Life in Humayun Ahmed’s writing

Elixir of life in Humayun Ahmed’s writing
Elixir of life in Humayun Ahmed’s writing

 

হোলি গ্রেইল শব্দটা প্রথম শুনি ইন্ডিয়ানা জোনসের মুভি থেকে. এর অর্থ হলো এই পানীয় পান করলে নাকি মানুষ হাজার বছর বাঁচতে পারে. এই দুনিয়ার সবচে বড়ো জোক হলো আমরা সবাই হুরপরীর লোভে বেহেস্তে যেতে চাই কিন্তু কেও মরতে চাই না.

হুমায়ুন আহমেদ একবার টাইম ম্যাগাজিনের একটা কপি হাতে পেলেন, 2011 সালের ঘটনা. সে সংখ্যার প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ছিল মানুষ ২০৪৫ সালে বিজ্ঞানের এতই উন্নতি করবে যে মানুষ আর মরবে না. মানুষ সিঙ্গুলারিটিতে পৌঁছাবে যেখানে ফিজিক্সের কোন সূত্র আর কাজ করবে না. হুমায়ুন আহমেদ দুঃখ করে বলেছিলেন আহা আমি আর বাঁচবো না ততদিন, এই দুনিয়াতে ফিনিক ফোটা জোছনা আমার দেখা হবে না.

লেখাটি হুমায়ূন আহমেদের বই “লীলাবতীর মৃত্যু” থেকে নেওয়া হয়েছে.